দৈনিক আদ্যোপান্ত

রাজনীতি

ঝিনাইদহে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে টায়ারে আগুন, আটক ১

ঝিনাইদহে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে টায়ারে আগুন, আটক ১

ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কের নগরবাথান বাজারের কুঠিপাড়া এলাকায় ৪ নভেম্বর সকাল ৫টায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান সহ টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে পটকা‑জাতীয় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত মাইক্রোবাস ও কয়েকটি মোটরসাইকেল চালকসহ প্রায় ১৪‑১৫ জন ব্যক্তি স্লোগান চিৎকারের সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দ্রুতস্থান ত্যাগ করে, তবে পুলিশ দ্রুতই শোভু (২৫), ইজাহার মিয়ার পুত্র এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মীকে গ্রেফতার করে।স্থানীয় বাসিন্দা হাফিজুর রহমান জানান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা‑কর্মীরা মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল ব্যবহার করে কুঠিপাড়া এলাকায় পটকা‑জাতীয় বিস্ফোরণ ঘটিয়ে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।শোভুকে ঘটনাস্থল থেকে তৎক্ষণাত্‌ই পুলিশ গ্রেপ্তার করে, এবং অন্যান্য জড়িতদের সনাক্ত করে গ্রেপ্তার করার দাবি জানানো হয়েছে।ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আসাদুজ্জামান জানান, বিস্ফোরণ থেকে সংগ্রহ করা আলামত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এটি ককটেল বিস্ফোরণ নয়, বরং পটকা বা আতশবাজি‑জাতীয় বিস্ফোরণ। শোভু বাদে অন্যদের গ্রেপ্তারেও পুলিশ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

পিরোজপুরে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ৫

পিরোজপুরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় ছাত্রদলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্যের জন্য সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ফলে উভয় পক্ষের পাঁচজন আহত এবং একজনকে আটক করেছে পুলিশ।সন্ধ্যা ৭টার দিকে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের সামনে এক দল দেশীয় অস্ত্রসহ অপর দলকে আক্রমণ করে। পুলিশ জানায়, আঘাতপ্রাপ্তদের মধ্যে জিহাদ মাতুব্বর (মিজান মাতুব্বরের ছেলে) গুরুতর আঘাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে; অন্যান্য চারজন আহত হলেন নাইম (মাহিদুলের ছেলে), শান (মাছিমপুরের বাসিন্দা), তাশফি (মিঠুর ছেলে) এবং নিরব (আউয়ালের ছেলে)।ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ দল দ্রুত হস্তক্ষেপ করে এবং বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাফিস (২৫) কে গ্রেফতার করে।পিরোজপুর জেলা ছাত্রদল সভাপতি সালাউদ্দিন কুমার, যিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন, জানিয়ে দেন যে এই ধরনের হিংসা তার দলের নীতি বিরোধী এবং জড়িত সদস্যদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পিরোজপুর সদর থানার ওসি মো. শরিফুল ইসলামও ঘটনাটি স্বীকার করে বলেন, মারামারির ফলে পাঁচজন আহত এবং একজন গ্রেফতার হয়েছে; আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

পিরোজপুরে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ৫

আজ খুলনা সফরে আসবেন প্রধানমন্ত্রী

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে আজ (২২ অক্টোবর) খুলনা ও মোংলা সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।সরকারপ্রধান হিসেবে এই অঞ্চলে এটিই তার প্রথম সফর। জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টার থেকে হিরণ পয়েন্ট ও সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যবেক্ষণ করবেন। এরপর তিনি দাকোপের নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করবেন। সেখান থেকে কোস্টগার্ডের স্পিডবোটে আকরাম পয়েন্টের উদ্দেশে রওনা হবেন এবং প্রস্তাবিত এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের সম্ভাব্যতা পর্যালোচনা করবেন।পরবর্তীতে নৌপথে মোংলা বন্দরে পৌঁছে নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া তিনি মোংলা বন্দরের জেটি এবং প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করবেন। বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাড়ানো, নতুন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা এই সফরে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান জানান, এটি প্রধানমন্ত্রীর সরকারি সফর হলেও স্থানীয় মানুষ তাকে এক নজর দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। সফর সফল করতে প্রশাসন ও আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছি। দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বোরহান উদ্দিন মিঠু সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী আগামী ২২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে নলিয়ান স্কুল মাঠে অবতরণ করবেন। সেখান থেকে কোস্টগার্ডের স্পিডবোটে আকরাম পয়েন্টের উদ্দেশে রওনা হবেন। তবে দাকোপে প্রধানমন্ত্রীর কোনো প্রশাসনিক কিংবা রাজনৈতিক আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নেই। এদিকে, এই সফরের দুই সপ্তাহ পর আগামী ৫ নভেম্বর আবারও খুলনায় যাওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। ওই দিন জেলা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করবেন তিনি।দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রকৃতি, বাণিজ্য ও শিল্পায়নের তিন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র এক সুতোয় গাঁথা এই সফরকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো দেখছেন ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। 

আজ খুলনা সফরে আসবেন প্রধানমন্ত্রী

রক্তাক্ত অবস্থায় যুবদল নেতা ফকিরের রহস্যময় মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের যুবদল সভাপতি এবং এক নম্বর আহ্বায়ক ফকির (৫০) ২১ অক্টোবর রাত প্রায় ৯ টার দিকে সোনারগাঁয়ের চর কিশোরগঞ্জের বালুরঘাট এলাকায় একটি মাদ্রাসার পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে রাস্তায় পেয়ে তৎক্ষণাৎ জরুরি সেবা কল করেন এবং রক্তক্ষরণ থামাতে চেষ্টা করেন।ফকিরকে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পরই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর সঠিক কারণ, কীভাবে তিনি আঘাত পেয়েছেন এবং ঘটনাস্থলে কী ঘটেছিল, এ বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।সোনারগাঁ থানার ওসি আব্দুল বারিক জানান, ফকিরের রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো সূত্র পাওয়া যায়নি। 

রক্তাক্ত অবস্থায় যুবদল নেতা ফকিরের রহস্যময় মৃত্যু

যুবদল নেতাকে মাথায় গুলি করে হত্যা

মাগুরা পৌর যুবদল জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাকের হোসেন (৪০) গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন; হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পিত স্বভাব নিয়ে স্বজন ও রাজনৈতিক নেতাদের উদ্বেগ প্রকাশিত হয়েছে।সকালবেলা সাকের হোসেনকে মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালী বেপারীপাড়া এলাকায় রোয়েল এক্সপ্রেস বাস টার্মিনালের কাউন্টার‑মাস্টার হিসেবে কাজের সময় অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। তিনি জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হলে, চিকিৎসক প্রাথমিকভাবে অসুস্থতাজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করেন। তবে স্বজনের নজরে মাথার পেছনে ক্ষতচিহ্ন দেখা যায় এবং ময়না‑তদন্তে খুলির ভেতর থেকে একটি বুলেট বেরিয়ে আসে, যা গুলিবিদ্ধের স্পষ্ট প্রমাণ।পুলিশ জানায়, সাকেরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মোট দশটি রাজনৈতিক মামলা দাখিল করা হয়েছিল। গুলি কোন অস্ত্রের, তা নির্ধারণের জন্য ব্যালিস্টিক পরীক্ষা ঢাকা পাঠানো হবে এবং সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের কাজ চলছে। মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন ও সংস্কৃতিবিষয়কমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী উভয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্বজনের সঙ্গে কথা বলেছেন; উভয়েই পরিকল্পিত হত্যার সন্দেহ প্রকাশ এবং দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের আহ্বান জানিয়েছেন।সাকেরের বড় ভাই রাজমীর হোসেন ও শ্বশুর আব্দুল আজিজও হত্যার কারণ জানার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে স্বজনের শোককে ভাগ করেছেন। শেষ পর্যন্ত ময়না‑তদন্তের পর সাকেরের দেহ পারনান্দুয়ালী বেপারীপাড়া এলাকায় তার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে স্বজনের কান্না শোনা যায় এবং স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এখনও চলমান; গুলির উৎস, সম্ভাব্য পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক বিরোধের সম্পর্ক উদ্ঘাটনের জন্য পুলিশ আলামত বিশ্লেষণ ও ফরেনসিক পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে।

যুবদল নেতাকে মাথায় গুলি করে হত্যা

পদত্যাগের দাবি ‘অসত্য’ ও ‘ভিত্তিহীন’ : ইশরাক

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন তার যাচাইকৃত ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে তার পদত্যাগের কোনো খবর সম্পূর্ণভাবে অসত্য ও ভিত্তিহীন। তিনি উল্লেখ করেন, উচ্চপর্যায়ের কোনো সরকারি নির্দেশনা তাকে পদত্যাগের জন্য দেওয়া হয়নি এবং তিনি সরকারি ও রাজনৈতিক দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করছেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়া গুজবগুলো একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার প্রচেষ্টা। তিনি এ ধরনের মিথ্যা তথ্যকে “বানোয়াট” বলে বর্ণনা করে, সংশ্লিষ্ট মিডিয়াগুলিকে সঠিক তথ্য প্রকাশের জন্য অবিলম্বে সংশোধন করার আহ্বান জানান।গত শনিবার সংসদীয় আসনে মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচির সময় আত্মরক্ষার জন্য আইনসঙ্গতভাবে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা ঘটেছিল, যা নিয়ে তিনি পূর্বেই তার অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন। সেই ঘটনার ভিত্তিতে তার পদত্যাগের দাবি করা তাকে বেআইনি এবং সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী বলে তিনি জোর দেন।ইশরাক হোসেন উল্লেখ করেন, যদি কোনো গণমাধ্যম এই গুজবগুলো প্রকাশ করে থাকে, তবে তা সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যাহার করে সঠিক তথ্য প্রকাশ করতে হবে, নতুবা অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি শেষ পর্যন্ত দেশের গণমাধ্যম ও নাগরিকদেরকে এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতে সতর্ক করেন।

পদত্যাগের দাবি ‘অসত্য’ ও ‘ভিত্তিহীন’ : ইশরাক

ইশরাককে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ

ঢাকা—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর ইশরাক হোসেনকে ডেকে সরাসরি মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। ইশরাক, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী, শনিবার (১৭ অক্টোবর) গেন্ডারিয়া রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সময় অস্ত্র হাতে উপস্থিত ছিলেন; ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা উস্কে দেয়।ভিডিওতে ইশরাক হোসেন চিৎকার করে ‘এই ধর ধর ধর…’ বলে ডাকার সঙ্গে হাতে একটি আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যায়। তিনি একই দিন বিকাল ৫টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ভিডিওটি শেয়ার করে ‘ইশরাকের অ্যাকশন: মাদক আস্তানা গুঁড়িয়ে বিক্রেতাদের পুলিশে সোপর্দ’ শিরোনাম দেন, তবে পরে তা মুছে ফেলেন। প্রকাশ্যভাবে ভিডিওটি দেখা মাত্রই নেটওয়ার্কে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়, বিশেষ করে সরকারি কর্মকর্তার অস্ত্রধারী উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।ইশরাকের প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তার পাঠানো বিবৃতিতে তিনি ব্যাখ্যা করেন, গেন্ডারিয়ার ঘণ্টিঘর, মুন্সিটেক, করাতিটোলা ও আশপাশের এলাকায় মাদক বিক্রয় ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকের বিস্তার নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি এই সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেন। তিনি আরও জানান, গত জুনে মাদক সংক্রান্ত সহিংসতায় তিনজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বহু সমন্বয় সভা করেন এবং মাদক আস্তানার কাছে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট থানাকে আধা-সরকারি পত্র (ডি.ও. লেটার) প্রদান করা হয়।অভিযানের সময় ইশরাকের নিরাপত্তা দল এবং তিনি নিজে আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র উঁচু করে ধরেন, কারণ ৩০‑৩৫ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তি তাদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে এগিয়ে আসেন বলে জানানো হয়। তিনি দাবি করেন, প্রদর্শিত আগ্নেয়াস্ত্রটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং কেবল আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশকে অবহিত করা হয়; পরে পুলিশের সহযোগিতায় সন্দেহভাজন মাদক আস্তানাগুলোতে যৌথ অভিযান চালানো হয়।তবে ইশরাকের পদত্যাগের আদেশের পর থেকে সরকারী কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি; শুধুমাত্র উচ্চপর্যায়ের সূত্রগুলোই এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। এই ঘটনা সরকারের ভিতরে ও জনমতের মধ্যে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করেছে, যেখানে কিছু বিশ্লেষক সরকারী কর্মকর্তার অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রধারী উপস্থিতি এবং তার রাজনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছেন।প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগের সিদ্ধান্তের পরবর্তী রাজনৈতিক প্রভাব এখনও অনিশ্চিত, তবে মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধের পদ্ধতি ও সরকারি কর্মকর্তার আচরণ নিয়ে আলোচনার তীব্রতা বাড়তে পারে।

ইশরাককে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ

ড. ইউনূসের নিউইয়র্কে হেনস্তা—সাবেক উপদেষ্টাদের নিন্দা

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের ১২ জন উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ. কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হেনস্তা ও হয়রানির ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, তারা একটি যৌথ বিবৃতিতে ঘটনাটিকে "অসহনীয়" ও "অবৈধ" বলে কঠোর নিন্দা জানিয়ে, ইউনূসের বিরুদ্ধে অনলাইন অপপ্রচার, ভুল তথ্য প্রচার এবং ব্যক্তিগত হুমকির প্রতিবাদ জানিয়েছেন।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সোমবার ইউনূস হুইলচেয়ারে করে বিমানবন্দর থেকে বেরোতে গিয়ে হেনস্তার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে কয়েকজন ব্যক্তি উচ্চস্বরে স্লোগান ও "হোয়াই ইউ কাম হিয়ার" ইত্যাদি চিৎকার করে তাকে তাড়া করে। এই কর্মকাণ্ডের পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কিছু প্রবাসী সমর্থকের অভিযোগ রয়েছে।সাবেক উপদেষ্টা দল উল্লেখ করেছে যে, ইউনূসের নেতৃত্বে ২০১৯-২০২২ সালের অন্তর্বর্তী সরকার দেশের গভীর অর্থনৈতিক সংকট, দুর্নীতি, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পতনের সময়ে জাতিকে পুনর্গঠনের কঠিন কাজ সম্পন্ন করেছে। তারা জোর দিয়ে বলেছে, ঐ সরকারই গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো জঘন্য কর্মকাণ্ডের অবসান ঘটিয়ে দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে স্থিতিশীল করেছে।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়েছিল এবং নতুন সরকারকে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলের ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং মানবাধিকার রক্ষার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছিল।উল্লেখযোগ্য যে, কিছু রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত ও স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ইউনূসের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে অপপ্রচার ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে এবং তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করার হুমকি দিচ্ছে। সাবেক উপদেষ্টারা এই ধরনের কাপুরুষোচিত কৌশলের তীব্র নিন্দা জানিয়ে, দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও মানবাধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি কখনোই নড়বে না বলে জোর দিয়েছেন।বিবৃতি প্রকাশকারী ১২জন সাবেক উপদেষ্টা হলেন সালেহউদ্দিন আহমেদ, মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, সিআর আবরার, আসিফ নজরুল, আদিলুর রহমান খান, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাখাওয়াত হোসেন, ফারুক‑ই‑আজম, ফরিদা আখতার, শারমিন এস মুরশিদ, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এবং সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তারা একত্রে বলছেন, হেনস্তা, অনলাইন হয়রানি বা ব্যক্তিগত হুমকি যাই হোক না কেন, ইউনূসের এবং তার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন ও সম্মান কখনোই ক্ষয় হবে না।

ড. ইউনূসের নিউইয়র্কে হেনস্তা—সাবেক উপদেষ্টাদের নিন্দা

প্রতিবাদ থেকেই এবি পার্টির উত্থান: মঈন খান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, প্রতিবাদ থেকেই আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) উত্থান হয়েছে এবং এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও দেশের রাজনীতিতে ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, এবি পার্টির অগ্রযাত্রা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা হয়ে থাকবে। শনিবার (২ মে) এবি পার্টির ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মঈন খান বলেন, যখনই গণতন্ত্রের পথ থেকে দেশ বিচ্যুত হয়েছে, তখনই আন্দোলন-প্রতিবাদ হয়েছে। ১৯৭১ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত জনগণ বারবার ভুল শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে দেশকে সংশোধনের পথে নিয়ে এসেছে। তিনি আরও বলেন, জনগণ কখনো ভুল করেনি, বরং রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভুলই আন্দোলনের জন্ম দিয়েছে। অনুষ্ঠানে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, দেশের মানুষ এখন আবেগনির্ভর ও প্রতিশ্রুতিনির্ভর রাজনীতি চায় না। তারা বাস্তবভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাজনীতি প্রত্যাশা করে। তার দাবি, এবি পার্টি সেই বিকল্প রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত রাজনীতি প্রতিষ্ঠাই সাম্প্রতিক আন্দোলনের বড় অর্জন।  বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামনুল হক বলেন, জুলাই আন্দোলন রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের একটি বড় আকাঙ্ক্ষা তৈরি করেছে। এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভুইয়া বলেন, এবি পার্টি আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং ছাত্রশক্তি গঠনের আগেও পাশে ছিল। তিনি বলেন, সব রাজনৈতিক শক্তির সম্মিলিত ত্যাগের ফলেই গণঅভ্যুত্থান সম্ভব হয়েছে। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, বর্তমান সময় গণতন্ত্র পুনর্গঠনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। তিনি শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। বিএনপি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা, সাবেক আইন কর্মকর্তা, শিক্ষক ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিশের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের, নাগরিক ঐক্যের সদস্য সচিব শহীদুল্লাহ্ কায়সার, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, ন্যাপের সভাপতি জেবালুর রহমান গণি, শহীদ নাফিসা মারওয়ার বাবা আবুল হোসেন, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চান, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান ও শহীদ নাঈমার আম্মা আইনুন্নাহার।  

প্রতিবাদ থেকেই এবি পার্টির উত্থান: মঈন খান

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগ আমরা চাই না: নুর

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল সেখানে ফাটল দেখা দিয়েছে মন্তব্য করে নুর বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাত্রদের ওপর বিরক্ত। গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, নির্বাচন সবই প্রয়োজন। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে কথা বললেই কোনো সদুত্তর নেই। প্রধান উপদেষ্টাকে ঘিরে আছে ওয়ান ইলেভেনের দুষ্টু চক্র।নুর বলেন, বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকার থাকলে সংকট কাটবে না। সংকট কাটাতে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করেই করিডরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কীভাবে! বিভিন্ন প্রসঙ্গে এর আগে জাতীয় সংলাপ হয়েছে, কিন্তু এখন কেন ডাকা হচ্ছে 

প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগ আমরা চাই না: নুর