দৈনিক আদ্যোপান্ত
Topic Ads 1
খুলনায় নদীর পাড় থেকে দুই যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

খুলনায় নদীর পাড় থেকে দুই যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

খুলনার রূপসা উপজেলায় আঠারো বাকী নদীর তীরে আজ দুপুরে দুই যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আইচগাতী ইউনিয়নের চর মোছাব্বরপুর গ্রামার কলাবাগানের উত্তর দিক থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের যোগাযোগে রূপসা থানার দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মৃতদেহ উদ্ধার করে।মৃতদেহের পরিচয় স্থানীয়দের সহায়তায় নিশ্চিত করা হয়। নিহতরা হলেন, রূপসা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের আব্দুল্লাহর পুত্র সোহাগ এবং সিংহের চর এলাকার রেজাউল করিম। দুজনের গলাকাটা অবস্থায় পাওয়া যায়, ফলে হিংসাত্মক হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ জাগে।রূপসা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নূর আলম জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে। "হত্যার পেছনে কী কারণ বা কোনো শত্রুতা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে," তিনি বলেন। শিকারের বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো মামলা ছিল কিনা, অথবা তারা কোনো অপরাধী বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কিনা, তা জানার জন্য তথ্য সংগ্রহ চলছে।আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। 

ফতুল্লায় ১২ বছরের শিশুকে গণধর্ষণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায়  ১২ বছর বয়সী এক শিশু ছোট বোনকে খুঁজতে বেরিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। শিশুটিকে ভোরের খানপুর হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পৌঁছে দেয়া হয়।নারায়ণগঞ্জ সদর থানার মিশনপাড়া এলাকার বাড়ি থেকে বেরিয়ে ফতুল্লার চাঁনমারী এলাকায় ছোট বোনকে খুঁজতে যায় শিশুটি। রাতে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় এক অজানা ব্যক্তি তাকে ছোট বোনকে খুঁজে বের করে দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইজিবাইকে চিলড্রেন মার্কেট এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে একাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তি শিশুটিকে গণধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।ভোরে অজানা ব্যক্তিরা শিশুটিকে খানপুর হাসপাতালে ছেড়ে দেয়। হাসপাতালে জরুরি বিভাগে শিশুর কোনো পরিচিতি পাওয়া না গিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ফতুল্লা মডেল থানায় জানায়। থানা-অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম জানান, শিশুটি কেবলমাত্র তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ সদর থানার মিশনপাড়া এলাকায় রয়েছে বলে জানাতে পেরেছে।ফতুল্লা থানা দ্রুত তদন্ত টিম পাঠিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে রক্তক্ষরণ ও শারীরিক ক্ষতির মাত্রা বাড়ার ফলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তিনি আরও জানান, শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক; প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ চলমান এবং চিকিৎসা দল সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।পুলিশ বর্তমানে ঘটনাস্থল ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সনাক্তকরণে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে এবং সমাজের সকল স্তরকে এই ধরনের অপরাধের তথ্য জানাতে আহ্বান জানাচ্ছে।

ফতুল্লায় ১২ বছরের শিশুকে গণধর্ষণ

যুব মহিলালীগ নেত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

ঢাকা কেরানীগঞ্জের বাস্তা ইউনিয়নের রসুলপুর বাজারে যুব মহিলা লীগ নেত্রী ডালিয়া আক্তার সুমার (৫০) গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি কেরানীগঞ্জ মডেল থানার বাস্তা ইউনিয়ন যুবমহিলা লীগের সভাপতি ছিলেন।মৃতদেহটি শুক্রবার সকালে সোনালী ব্যাংক ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয় এবং পরবর্তীতে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।ডালিয়া আক্তার সুমা রসুলপুর এলাকার লিয়াকত শিকদারের মেয়ে। তিনি দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং চর বাঘাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করতেন। বিবাহবিচ্ছেদের পর দুই মেয়ের সঙ্গে ফ্ল্যাটে থাকতেন। মেয়েদের বিয়ে হওয়ার পর তিনি একা সেখানে বসবাস করছিলেন।স্থানীয় বাসিন্দা রেহেনা পারভিন জানান, সুমা দীর্ঘদিন রাজনৈতিক কাজে সক্রিয় ছিলেন এবং একটি স্কুলে চাকরি করতেন। তার হঠাৎ মৃত্যুর কারণ এখনও অজানা; কোনো ব্যক্তিগত বিরোধের তথ্য পাওয়া যায়নি।দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজগর হোসেন জানান, ফাঁকা বাসায় কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা তদন্তের অধীনে রয়েছে। সিআইডি ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ ও তদন্তের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।হত্যার পেছনের প্রেরণা ও সন্দেহভাজন নির্ধারণের জন্য পুলিশ ব্যাপক তদন্ত চালিয়ে যাবে, আর পরিবার ও সমাজের শোকের মাঝে এই রহস্যজনক ঘটনা জনসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

যুব মহিলালীগ নেত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

যুবদল নেতাকে মাথায় গুলি করে হত্যা

মাগুরা পৌর যুবদল জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাকের হোসেন (৪০) গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন; হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পিত স্বভাব নিয়ে স্বজন ও রাজনৈতিক নেতাদের উদ্বেগ প্রকাশিত হয়েছে।সকালবেলা সাকের হোসেনকে মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালী বেপারীপাড়া এলাকায় রোয়েল এক্সপ্রেস বাস টার্মিনালের কাউন্টার‑মাস্টার হিসেবে কাজের সময় অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। তিনি জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হলে, চিকিৎসক প্রাথমিকভাবে অসুস্থতাজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করেন। তবে স্বজনের নজরে মাথার পেছনে ক্ষতচিহ্ন দেখা যায় এবং ময়না‑তদন্তে খুলির ভেতর থেকে একটি বুলেট বেরিয়ে আসে, যা গুলিবিদ্ধের স্পষ্ট প্রমাণ।পুলিশ জানায়, সাকেরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মোট দশটি রাজনৈতিক মামলা দাখিল করা হয়েছিল। গুলি কোন অস্ত্রের, তা নির্ধারণের জন্য ব্যালিস্টিক পরীক্ষা ঢাকা পাঠানো হবে এবং সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের কাজ চলছে। মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন ও সংস্কৃতিবিষয়কমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী উভয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্বজনের সঙ্গে কথা বলেছেন; উভয়েই পরিকল্পিত হত্যার সন্দেহ প্রকাশ এবং দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের আহ্বান জানিয়েছেন।সাকেরের বড় ভাই রাজমীর হোসেন ও শ্বশুর আব্দুল আজিজও হত্যার কারণ জানার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে স্বজনের শোককে ভাগ করেছেন। শেষ পর্যন্ত ময়না‑তদন্তের পর সাকেরের দেহ পারনান্দুয়ালী বেপারীপাড়া এলাকায় তার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে স্বজনের কান্না শোনা যায় এবং স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এখনও চলমান; গুলির উৎস, সম্ভাব্য পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক বিরোধের সম্পর্ক উদ্ঘাটনের জন্য পুলিশ আলামত বিশ্লেষণ ও ফরেনসিক পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে।

যুবদল নেতাকে মাথায় গুলি করে হত্যা