খুলনা শহরে দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শহিদুল ইসলাম (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।শনিবার দিবাগত গভীর রাতে নগরীর লবণচরা থানাধীন গল্লামারী বুড়ো মৌলভীর দরগা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয়রা জানান, রাতে দরগাপাড়া কাশেমিয়া মসজিদ-সংলগ্ন এলাকায় দুর্বৃত্তরা শহিদুলকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে রাস্তায় পড়ে তিনি ছটফট করছিলেন।স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।নিহত শহিদুল ওই এলাকার মাহতাব শেখের ছেলে। লবণচরা থানার ওসি সৈয়দ মোশাররফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানা এলাকায় বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রিকশা থেকে নামার মুহূর্তেই খুশি বেগম (২৫) নামের গৃহবধূকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহত খুশি দুই সন্তানের জননী।পুলিশের সূত্রে জানা যায়, খুশির স্বামী সুমন সরদার যাকে ব্লেড বাবু নামে পরিচিতি রয়েছে এবং মাদক ব্যবসা করেন, যার কারণে দুর্বৃত্তদের মধ্যে ব্যবসা‑সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এই বিরোধের পরিণতিতে খুশি বেগমের ওপর এই নির্মম হামলা চালানো হতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।খুশির মা জানায়, “সন্ধ্যায় বাজার করা শেষে রিকশায় করে মেয়েকে নিয়ে বাসার গলির মাথায় নামি। রিকশা থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে দুইজন যুবক মোটরসাইকেল নিয়ে এসে স্বামীর কথা জানতে চায়। হঠাৎ একটি গুলি আমার সামনে খুশিকে আঘাত করে এবং অন্যজন কুপিয়ে তাকে হত্যা করে চলে যায়। পরে শুনেছি তারা আশিক গ্রুপের লোকজন। কেন তারা আমার মেয়েকে এভাবে হত্যা করেছে, তা জানি না; আমি হত্যাকারীদের ন্যায়বিচার চাই।”পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ অনুযায়ী, গুলির সময় গলির মাথায় মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা দুই যুবক উপস্থিত ছিলেন। রিকশা থামার পর খুশি রিকশা থেকে নামতেই ওই দুইজন স্বামীর অবস্থান জানতে চায়। তখনই মাথায় গুলি করে তারা। অপরজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাকে আঘাত করে। আশেপাশের লোকজনের হস্তক্ষেপে দুইজন অপরাধী মটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়।স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় খুশিকে তার মা সঙ্গে নিয়ে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। লবণচরা থানার ওসি সৈয়দ মোশারেফ হোসেন জানান, খুশি ও তার স্বামী সুমন হাওলাদার (ব্লেড বাবু) দুজনেই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে মাদকের মামলা রয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ ও দায়ী ব্যক্তিদের সনাক্তকরণ এখনও চলমান।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।