খুলনা শহরে দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শহিদুল ইসলাম (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।শনিবার দিবাগত গভীর রাতে নগরীর লবণচরা থানাধীন গল্লামারী বুড়ো মৌলভীর দরগা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয়রা জানান, রাতে দরগাপাড়া কাশেমিয়া মসজিদ-সংলগ্ন এলাকায় দুর্বৃত্তরা শহিদুলকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে রাস্তায় পড়ে তিনি ছটফট করছিলেন।স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।নিহত শহিদুল ওই এলাকার মাহতাব শেখের ছেলে। লবণচরা থানার ওসি সৈয়দ মোশাররফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পিরোজপুরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় ছাত্রদলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্যের জন্য সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ফলে উভয় পক্ষের পাঁচজন আহত এবং একজনকে আটক করেছে পুলিশ।সন্ধ্যা ৭টার দিকে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের সামনে এক দল দেশীয় অস্ত্রসহ অপর দলকে আক্রমণ করে। পুলিশ জানায়, আঘাতপ্রাপ্তদের মধ্যে জিহাদ মাতুব্বর (মিজান মাতুব্বরের ছেলে) গুরুতর আঘাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে; অন্যান্য চারজন আহত হলেন নাইম (মাহিদুলের ছেলে), শান (মাছিমপুরের বাসিন্দা), তাশফি (মিঠুর ছেলে) এবং নিরব (আউয়ালের ছেলে)।ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ দল দ্রুত হস্তক্ষেপ করে এবং বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাফিস (২৫) কে গ্রেফতার করে।পিরোজপুর জেলা ছাত্রদল সভাপতি সালাউদ্দিন কুমার, যিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন, জানিয়ে দেন যে এই ধরনের হিংসা তার দলের নীতি বিরোধী এবং জড়িত সদস্যদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পিরোজপুর সদর থানার ওসি মো. শরিফুল ইসলামও ঘটনাটি স্বীকার করে বলেন, মারামারির ফলে পাঁচজন আহত এবং একজন গ্রেফতার হয়েছে; আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।