দৈনিক আদ্যোপান্ত
Topic Ads 1
গাজীপুরে আট বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

গাজীপুরে আট বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

গাজীপুর মহানগরীর গাছা এলাকায় অবস্থিত একটি আবাসিক কওমি মাদ্রাসার আট বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে একাধিকবার যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষকসহ দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় মোট তিনজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে দুইজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে।অভিযুক্তরা হলেন,  মো. অলিউল্লাহ ই্লেন(২৮), মোহাম্মদ মিজান(৩৮) এবং মো. আব্দুল কুদ্দুস শেখ(৪৫)। এদের মধ্যে অলিউল্লাহ ইসলাম মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। এজাহার সূত্রে জানা যায়, শিকড়শিক্ষার্থী মাদ্রাসার আবাসিক বিভাগে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ত। ৭ অক্টোবর বিকেল চারটায় তিনি সন্তানকে মাদ্রাসার আবাসিক ঘরে রেখে গিয়েছিলেন। ১৩ অক্টোবর দুপুরে শিশুটি বাড়ি ফিরে গিয়ে গোসলের সময় শরীরের একটি অংশে তীব্র ব্যথা অনুভব করায় তিনি তা জানালেন। শিশুটি ব্যথার কারণ জানতে চাওয়া হলে সরাসরি শিক্ষকের যৌন নিপীড়নের কথা বলে। এজাহার আরও উল্লেখ করে, শিশুকে ঘটনা জানালে তাকে মারধর করা হবে বলে ভয় দেখানো হয়েছিল।মা ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গেই মাদ্রাসায় গিয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। তবে মাদ্রাসার সঙ্গে যুক্ত দুই ব্যক্তি অভিযুক্ত শিক্ষককে সঠিকভাবে শাস্তি না দিয়ে ঘটনাটি ঢাকতে চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে শিক্ষককে কৌশলে মাদ্রাসা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।শিক্ষার্থীর মা জানান, তার পরিচিত এক নারী ১০ বছর বয়সী শিশুও একই মাদ্রাসায় পড়ত এবং সে একই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বহুবার যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেছে। এরপর আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী একই ধরনের ঘটনার শিকার হয়েছে বলে জানা গেছে।গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রব্বানী জানান, এই ঘটনার জন্য তিনজনের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানো হয়েছে, তদন্ত চলমান।

সাভারের ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, মাদ্রাসা শিক্ষক পলাতক

ঢাকার সাভার জেলায় অবস্থিত একটি মহিলা মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে ১৩ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি গত বুধবার সকাল প্রায় ১০টায় মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে ঘটে।মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ছাত্রী অন্য সহপাঠীদের সঙ্গে মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে থাকত। জুতা আনতে নিচতলা যাওয়ার পথে তাকে শিক্ষক একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করেন। পরে শিক্ষক তার স্ত্রীর মাধ্যমে ছাত্রীকে হুমকি দেন যে ঘটনা কাউকে বলবে না এবং ছাত্রীকে কক্ষ থেকে বের হতে না দিতে পুনরায় হুমকি দেন।মাদ্রাসার বাবুর্চি উপস্থিত হওয়ার পর শিক্ষক তার স্ত্রীর সঙ্গে দ্বিতীয় তলায় ফিরে যান, আর ছাত্রী মাদ্রাসা ছেড়ে বাড়ি ফিরে আসে। বাড়িতে কান্নাকাটি করার পর পরিবারের সদস্যরা ঘটনার সত্য জানতে পারে এবং স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে মাদ্রাসায় গিয়ে শিক্ষকের স্ত্রীকে আটক করে। তবে শিক্ষক কৌশলে মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে যান।পরিবারের দাদা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রাত ১০টার দিকে মামলায় অভিযোগ দায়ের করেন। সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোশাররফ হোসেন জানান, শিক্ষক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে বুধবার রাতের দিকে মামলা দায়ের হয়েছে এবং ইতিমধ্যে শিক্ষকের স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে।

সাভারের ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, মাদ্রাসা শিক্ষক পলাতক