দৈনিক আদ্যোপান্ত
Topic Ads 1
মাগুরায় যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা মামলায় আটক ২

মাগুরায় যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা মামলায় আটক ২

মাগুরায় বুধবার ভোর ৫টার দিকে মাগুরা বাসটার্মিনাল এলাকার রয়্যাল পরিবহনের কাউন্টারে পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাকের হোসেনকে মাথায় গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরে ময়নাতদন্তের সময় তার মাথার ভেতর থেকে রিভলবারের গুলি উদ্ধার করা হয়।এঘটনায় পৌর যুবদল নেতা শাকের হোসেন হত্যার আসামিদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশ করেছে বিএনপি। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক নারীসহ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বলেন, বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত পৌনে ১২টার দিকে মাগুরা সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে নিহত শাকেরের স্ত্রী শারমিন নাহার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পরপরই বুধবার দিবাগত রাতে শামীমা তাবাসসুম নামে এক নারী এবং রনি সিকদার নামের এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। পুলিশ সুপার আরও জানান, জেলা পুলিশের একাধিক টিম এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে। রাজনৈতিক টার্গেট কিলিং, পরকীয়া, সোনার চোরাচালান এবং জমি দখলসহ বেশ কয়েকটি সম্ভাব্য দিক সামনে রেখে নিবিড়ভাবে তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। আশা করা যাচ্ছে, অচিরেই এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

যশোরে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সংসদ সদস্যদের সংবাদ সম্মেলন

যশোরে সার ডিলার নিয়োগে ব্যাপক দলীয়করণ, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন যশোরের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পাঁচ সংসদ সদস্য।  বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরের মিলাতয়নে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়এসময়ই অভিযোগ করেন, যশোরে সার ডিলার নিয়োগে ব্যাপক দলীয়করণ, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পাঁচ সংসদ সদস্য। তাঁদের অভিযোগ, যোগ্য ও প্রকৃত ব্যবসায়ীদের বঞ্চিত করে রাজনৈতিক প্রভাব ও অবৈধ অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী এবং তাঁদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়োগ বাতিল করে সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে নতুনভাবে যোগ্য ডিলার নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। পাঁচ সংসদ সদস্যের পক্ষে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে যশোর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রসুল এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সারা দেশের মতো যশোরের ১৩টি ইউনিয়ন ও ৮টি পৌরসভায় সার ডিলার নিয়োগে দলীয়করণ ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা পর্যায়ের সরকারি দলের নেতাকর্মীরা কেন্দ্রীয় ও জেলা বিএনপির নেতাদের সহায়তায় অবৈধ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে ডিলার লাইসেন্স পেয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। এতে প্রকৃত সার ব্যবসায়ী ও কৃষির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যোগ্য ব্যক্তিরা বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। সংসদ সদস্যদের অভিযোগ, যশোরের পাঁচটি সংসদীয় আসনে বিরোধী দলের প্রতিনিধি থাকলেও সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে তাঁদের পরামর্শ ও সুপারিশ গুরুত্ব পায়নি। জেলা প্রশাসক সরকারি দলের দেওয়া তালিকা চূড়ান্ত করে কৃষি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন বলে তাঁরা অভিযোগ করেন। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সততা, দক্ষতা ও পেশাদারত্বের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি বলেও দাবি তাঁদের। লিখিত বক্তব্যে আরও অভিযোগ করা হয়, নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে মাদকসংক্রান্ত ঘটনায় আটক ব্যক্তির স্ত্রী, একাধিক ফৌজদারি মামলার আসামি এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও রয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম বা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়নি। সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি গঠনের ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংসদ সদস্যরা বলেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সামাজিক, কৃষক ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা থাকলেও তাঁদের কোনো পরামর্শ নেওয়া হয়নি। বরং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কমিটিতে বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন।তাঁদের অভিযোগ, যোগ্য ও প্রকৃত ব্যবসায়ীদের বঞ্চিত করে রাজনৈতিক প্রভাব ও অবৈধ অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী এবং তাঁদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়োগ বাতিল করে সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে নতুনভাবে যোগ্য ডিলার নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। পাঁচ সংসদ সদস্যের পক্ষে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে যশোর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রসুল এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সারা দেশের মতো যশোরের ১৩টি ইউনিয়ন ও ৮টি পৌরসভায় সার ডিলার নিয়োগে দলীয়করণ ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা পর্যায়ের সরকারি দলের নেতাকর্মীরা কেন্দ্রীয় ও জেলা বিএনপির নেতাদের সহায়তায় অবৈধ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে ডিলার লাইসেন্স পেয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। এতে প্রকৃত সার ব্যবসায়ী ও কৃষির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যোগ্য ব্যক্তিরা বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। সংসদ সদস্যদের অভিযোগ, যশোরের পাঁচটি সংসদীয় আসনে বিরোধী দলের প্রতিনিধি থাকলেও সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে তাঁদের পরামর্শ ও সুপারিশ গুরুত্ব পায়নি। জেলা প্রশাসক সরকারি দলের দেওয়া তালিকা চূড়ান্ত করে কৃষি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন বলে তাঁরা অভিযোগ করেন। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সততা, দক্ষতা ও পেশাদারত্বের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি বলেও দাবি তাঁদের। লিখিত বক্তব্যে আরও অভিযোগ করা হয়, নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে মাদকসংক্রান্ত ঘটনায় আটক ব্যক্তির স্ত্রী, একাধিক ফৌজদারি মামলার আসামি এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও রয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম বা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়নি। সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি গঠনের ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংসদ সদস্যরা বলেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সামাজিক, কৃষক ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা থাকলেও তাঁদের কোনো পরামর্শ নেওয়া হয়নি। বরং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কমিটিতে বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন। এ ধরনের নিয়োগ প্রক্রিয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে পাঁচ সংসদ সদস্য সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সৎ, দক্ষ ও যোগ্য ব্যবসায়ীদের নতুন করে সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানান। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট নিয়োগ কর্তৃপক্ষ কিংবা বিএনপির কোনো বক্তব্য লিখিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি।

যশোরে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সংসদ সদস্যদের সংবাদ সম্মেলন

যুবদল নেতাকে মাথায় গুলি করে হত্যা

মাগুরা পৌর যুবদল জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাকের হোসেন (৪০) গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন; হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পিত স্বভাব নিয়ে স্বজন ও রাজনৈতিক নেতাদের উদ্বেগ প্রকাশিত হয়েছে।সকালবেলা সাকের হোসেনকে মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালী বেপারীপাড়া এলাকায় রোয়েল এক্সপ্রেস বাস টার্মিনালের কাউন্টার‑মাস্টার হিসেবে কাজের সময় অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। তিনি জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হলে, চিকিৎসক প্রাথমিকভাবে অসুস্থতাজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করেন। তবে স্বজনের নজরে মাথার পেছনে ক্ষতচিহ্ন দেখা যায় এবং ময়না‑তদন্তে খুলির ভেতর থেকে একটি বুলেট বেরিয়ে আসে, যা গুলিবিদ্ধের স্পষ্ট প্রমাণ।পুলিশ জানায়, সাকেরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মোট দশটি রাজনৈতিক মামলা দাখিল করা হয়েছিল। গুলি কোন অস্ত্রের, তা নির্ধারণের জন্য ব্যালিস্টিক পরীক্ষা ঢাকা পাঠানো হবে এবং সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের কাজ চলছে। মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন ও সংস্কৃতিবিষয়কমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী উভয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্বজনের সঙ্গে কথা বলেছেন; উভয়েই পরিকল্পিত হত্যার সন্দেহ প্রকাশ এবং দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের আহ্বান জানিয়েছেন।সাকেরের বড় ভাই রাজমীর হোসেন ও শ্বশুর আব্দুল আজিজও হত্যার কারণ জানার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে স্বজনের শোককে ভাগ করেছেন। শেষ পর্যন্ত ময়না‑তদন্তের পর সাকেরের দেহ পারনান্দুয়ালী বেপারীপাড়া এলাকায় তার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে স্বজনের কান্না শোনা যায় এবং স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এখনও চলমান; গুলির উৎস, সম্ভাব্য পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক বিরোধের সম্পর্ক উদ্ঘাটনের জন্য পুলিশ আলামত বিশ্লেষণ ও ফরেনসিক পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে।

যুবদল নেতাকে মাথায় গুলি করে হত্যা