দৈনিক আদ্যোপান্ত
Topic Ads 1
ভাতা-মজুরির দাবিতে উত্তাল রাজধানীর আশুলিয়া

ভাতা-মজুরির দাবিতে উত্তাল রাজধানীর আশুলিয়া

সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে ন্যূনতম মজুরি ও ভাতা বাস্তবায়নের দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে উত্তাল হয়ে উঠেছে আশুলিয়া এছাড়াও অধিকাংশ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে আশুলিয়ার বিভিন্ন পোশাক কারখানায় অসন্তোষের ঢেউ বয়ে গিয়ে কর্মবিরতি, বিক্ষোভ এবং প্রতিবাদে রূপ নেয়।প্রতিবাদকারীরা টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে, যা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। নরসিংহপুর, জামগড়া এবং আশুলিয়া সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফা-দফা সংঘর্ষ দেখা যায়।অভিযুক্তদের মধ্যে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়েছে, আর অজানা কয়েকশ ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মুস্তাফিজুর রহমান জানান, নাশকতার সঙ্গে জড়িতরা সাধারণ শ্রমিক নয় এবং তাদের সম্পর্কে পুলিশ ইতিমধ্যে তথ্য সংগ্রহ করেছে।বিপদের তীব্রতা বিবেচনা করে সাভার ও আশুলিয়া থানায় পৃথক মামলা দায়েরের পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তা বজায় রাখতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে এবং নাশকতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।বৈধ দাবি মেটাতে শ্রমিকদের চাপ কমাতে, অধিকাংশ পোশাক কারখানা কর্মীদের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। মোট ২৬৪টি কারখানায় কাজ বন্ধের আদেশ জারি করা হয়, যা শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিল্প উৎপাদনে সাময়িক প্রভাব ফেলবে। পরিস্থিতি শীতল করতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংলাপের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সাভারের ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, মাদ্রাসা শিক্ষক পলাতক

ঢাকার সাভার জেলায় অবস্থিত একটি মহিলা মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে ১৩ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি গত বুধবার সকাল প্রায় ১০টায় মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে ঘটে।মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ছাত্রী অন্য সহপাঠীদের সঙ্গে মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে থাকত। জুতা আনতে নিচতলা যাওয়ার পথে তাকে শিক্ষক একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করেন। পরে শিক্ষক তার স্ত্রীর মাধ্যমে ছাত্রীকে হুমকি দেন যে ঘটনা কাউকে বলবে না এবং ছাত্রীকে কক্ষ থেকে বের হতে না দিতে পুনরায় হুমকি দেন।মাদ্রাসার বাবুর্চি উপস্থিত হওয়ার পর শিক্ষক তার স্ত্রীর সঙ্গে দ্বিতীয় তলায় ফিরে যান, আর ছাত্রী মাদ্রাসা ছেড়ে বাড়ি ফিরে আসে। বাড়িতে কান্নাকাটি করার পর পরিবারের সদস্যরা ঘটনার সত্য জানতে পারে এবং স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে মাদ্রাসায় গিয়ে শিক্ষকের স্ত্রীকে আটক করে। তবে শিক্ষক কৌশলে মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে যান।পরিবারের দাদা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রাত ১০টার দিকে মামলায় অভিযোগ দায়ের করেন। সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোশাররফ হোসেন জানান, শিক্ষক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে বুধবার রাতের দিকে মামলা দায়ের হয়েছে এবং ইতিমধ্যে শিক্ষকের স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে।

সাভারের ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, মাদ্রাসা শিক্ষক পলাতক