যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ৪০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা হয়েছে।
মামলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী, সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) থানায় দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে বাঘারপাড়া থানায় মামলাটি গ্রহন করা হয়। মামলার বাদী বাঘারপাড়ার দোহাকুলা গ্রামের বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম (৪৬)।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বাঘারপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি বায়েজীদ হোসেন, সহসভাপতি কুতুব হোসেন, আদিল হোসেন ও পিকুল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল কবির বিপুল ফরাজী, বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান লিটন, দপ্তর সম্পাদক তরুণ হোসেন ও সদস্য এনায়েত হোসেন লিটন।
এ ছাড়া ৮ নম্বর বাসুয়াড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর সরদার, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাইদ সরদার, ৬ নম্বর দোহাকুলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওহিদুর রহমান, নারিকেলবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান বাবলু কুমার সাহাসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতারাও আসামির তালিকায় রয়েছেন।
এজাহারে আরও উল্লেখ রয়েছে, আসামিদের কয়েকজনকে পলাতক দেখানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ এর ৬, ৭, ১০, ১১ ও ১২ ধারায় মামলা করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাঘারপাড়া থানার ওসি জিয়াউর রহমান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়েছে। এ মামলায় ইতিমধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মতামত