যশোরে জনতা ব্যাংকের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগে তরিকুল ইসলাম নামে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) প্রথম স্ত্রী মিনা খাতুন বাদী হয়ে আমলি আদালতে এ মামলাটি করেন।
সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুমনা পাল অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য জনতা ব্যাংক বেনাপোল শাখার ব্যবস্থাপককে নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত তরিকুল ইসলাম শার্শা উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে। বর্তমানে তিনি জনতা ব্যাংক বেনাপোল শাখায় কর্মকর্তা পদে কর্মরত রয়েছেন।
মামলার বাদী মিনা খাতুনের অভিযোগ, ২০১৬ সালের ৭ অক্টোবর তরিকুল ইসলামের সাথে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি ছেলে ও একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই তরিকুল ইসলাম তার কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিলেন। সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে তিনি স্বামীর সব অত্যাচার ও নির্যাতন সহ্য করে আসছিলেন।
গত ৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টার দিকে তার স্বামী কুলছুম খাতুন (৩৬) নামের এক নারীকে সাথে নিয়ে বাড়িতে আসেন এবং তাকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন। কুলছুম খাতুন ঝিকরগাছা উপজেলার রায়পটন গ্রামের ইদ্রিস আলীর মেয়ে। এ সময় মিনা খাতুন তার স্বামীর কাছে অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণ জানতে চাইলে তরিকুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর করেন এবং বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন।
মতামত